
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় তদন্ত দ্রুত শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া এ নির্দেশনার বিষয়ে আইনমন্ত্রী জানান, ঘটনার বিচার দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে।
গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি বাসার তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যার পর শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে বিচ্ছিন্ন মাথা বাথরুমে এবং মরদেহের বাকি অংশ খাটের নিচে পাওয়া যায়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রামিসা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন এবং মা পারভীন আক্তার গৃহিণী। দুই বোনের মধ্যে রামিসা ছিল ছোট। বড় বোন রাইসা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীর ওই এলাকায় বসবাস করে আসছিল।
বুধবার রাতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মধ্য শিয়ালদী গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে রামিসাকে দাফন করা হয়। জানাজায় স্বজন ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো এলাকায়।
এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
রিপোর্ট : নাসরিন বেগম


