Skip to main content

Chetona Ekush

, ,

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: নির্ধারিত দিনে না পারলেও পরদিন ক্যাপসুল খাওয়ানোর সুযোগ

চেতনা একুশ ডেস্ক

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নে দেশজুড়ে বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করবেন। নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে, পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তা গ্রহণ করা যাবে। এছাড়া দেশের ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় শিশুদের আওতায় আনতে অতিরিক্ত চার দিন বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে এই জনস্বাস্থ্য কর্মসূচিকে সফল করতে সহযোগিতা করার জন্য।

জানা গেছে, দেশে শিশুদের অন্ধত্ব, রাতকানা রোগ এবং পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে ১৯৭৩ সালে প্রথম ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। সে সময় এটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচালিত হতো।

পরে ১৯৯৫ সালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে ভিটামিন ‘এ’ কার্যক্রমকে যুক্ত করে এর পরিধি ও কার্যকারিতা আরও বৃদ্ধি করা হয়। এরপর ২০০৩ সালে এটিকে পৃথক কর্মসূচি হিসেবে চালু করা হয়, যার নাম দেওয়া হয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। তখন এটি জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হতো।

২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) অপারেশন প্ল্যানের আওতায় ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়। পরবর্তীতে এটি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও ২০২৬ সালে পুনরায় চালু করা হয়েছে। বর্তমানে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ