Skip to main content

Chetona Ekush

, ,

রাজধানীতে ভুয়া বিনিয়োগ ও গাড়ি বাণিজ্যের মূল হোতা বিটিএল গ্রুপের সিইও গ্রেফতার

বিটিএল গ্রুপের সিইও মির্জা আবুল বাশার

বিশেষ প্রতিনিধি, চেতনা একুশ

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাকরি দেওয়ার আশ্বাস, ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি কেনাবেচা এবং কুরবানির পশু ক্রয়ের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও মির্জা আবুল বাশারকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানা পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে গুলশান-১ এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টার অভিযানের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর আবুল বাশারের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে একাধিকবার অভিযান চালানো হলেও তিনি কৌশলে অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে যান।

পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুলশান থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল জানতে পারে যে, তিনি গুলশান-১ এলাকার একটি বাসায় অবস্থান করছেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত থেকে অভিযান শুরু হয়। দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার চেষ্টার পর শনিবার দুপুরে তাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশের দাবি, আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত প্রতারণার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে আসছিলেন। চাকরির প্রলোভন দেখানো, মামলার আসামিকে মুক্ত করার আশ্বাস দেওয়া, ভুয়া ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রস্তাব, গাড়ি কেনাবেচা এবং পশুর হাটকেন্দ্রিক প্রতারণাসহ বিভিন্ন কৌশলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পুলিশের নথিপত্র পর্যালোচনায় জানা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১১ মাস আগে গুলশান থানা পুলিশের আরেকটি অভিযানে আবুল বাশারের হেফাজত থেকে দুটি প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত ও চোরাই গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আবুল বাশারের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ