Skip to main content

Chetona Ekush

, ,

অনুপস্থিতি ও অসদাচরণ: বিপ্লব, ইকবাল, রুহানীসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চেতনা একুশ

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, সরকারি আদেশ অমান্য ও অসদাচরণের দায়ে বাংলাদেশ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ ও ২ শাখা থেকে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

বরখাস্ত হওয়া ছয় কর্মকর্তা হলেন—ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন অ্যান্ড গোয়েন্দা-দক্ষিণ) বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, ৮ এপিবিএন, উখিয়া, কক্সবাজারের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস এবং ডিএমপির সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. গোলাম রুহানী।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিপ্লব কুমার সরকার ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ কারণে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে তাকে ওই সময় থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। ‘পলায়ন’-এর দায়ে ওই তারিখ থেকেই তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

কাজী আশরাফুল আজীম ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। সরকারি আইনানুগ আদেশ প্রতিপালনে অবজ্ঞা প্রদর্শন, অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে ওই তারিখ থেকেই চাকরি হারিয়েছেন।

রাজন কুমার দাস ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে তাকে ওই তারিখ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মো. গোলাম রুহানী ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে তাকেও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তদন্ত শেষে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

গুরুদণ্ড হিসেবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ নেওয়া হয়। পিএসসিও কর্মকর্তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করে।

পরে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে রাষ্ট্রপতি গত ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ছয় কর্মকর্তাকে বরখাস্তের প্রস্তাবে অনুমোদন দেন।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ