
ডিজিটাল ডেস্ক, চেতনা একুশ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত আলোচনা এগিয়ে নিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নামছে পাকিস্তান ও কাতার। দুই দেশই এ লক্ষ্যে বিশেষ প্রতিনিধি পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক হামলার ঘোষণার পরপরই কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়। বিশেষ করে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ওই আলোচনায় উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে যুদ্ধের সম্ভাব্য ভয়াবহ ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতি সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করা হয়।
এরই মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ও আলোচনা করেছেন।
সোমবার থেকেই আলোচনা শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা সরাসরি মুখোমুখি হচ্ছেন না। পরিবর্তে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের একজন মধ্যস্থতাকারী প্রতিনিধির মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় ধরনের সামরিক হামলার হুমকি দেওয়ার পরও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই অবস্থান থেকে সরে আসায় বর্তমান পরিস্থিতিতে মনস্তাত্ত্বিকভাবে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে ইরান।
সূত্র: আল জাজিরা


