Skip to main content

Chetona Ekush

, ,

দেশে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে ৭০২টি শিশুর মৃত্যু

হামে আক্রান্ত শিশু। ছবি সংগৃহীত


চেতনা একুশ ডেস্ক:


দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার প্রতিবেদনেও মিলেছে আশঙ্কাজনক তথ্য। গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দেশে নিশ্চিত হামে কোনো শিশুর মৃত্যুর খবর না পাওয়া গেলেও, হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে আরও ৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে।


একই সময়ে দেশজুড়ে আরও ৮৬৯ জন শিশুর শরীরে হামের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। এছাড়া ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে আরও ১০৭ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হামের ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে।


স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংগৃহীত পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশব্যাপী নিশ্চিত হামের কারণে ৯৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ের সার্বিক চিত্র আরও ভয়াবহ। নিশ্চিত এবং সন্দেহজনক—উভয় হিসাব মিলিয়ে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মোট ৭০২টি শিশু মারা গেছে। চিকিৎসকরা শিশুদের সুরক্ষায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন এবং দ্রুত টিকাদানের ওপর জোর দিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, হামের সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকার ‘মেগা-ক্যাম্পেইন’ ও ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামের’ ওপর জোর দিচ্ছে বলে জানান। রুটিন টিকাদান থেকে বাদ পড়া জিরো-ডোজ শিশুদের শনাক্ত করে দ্রুত টিকার আওতায় আনা হচ্ছে বলেও মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার শিশুরা আগে টিকা পেয়ে থাকলেও তাদের সুরক্ষা শতভাগ নিশ্চিত করতে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আবারও এক ডোজ বিশেষ এমআর টিকা দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

ভবিষ্যতে কোনো শিশু যাতে টিকাদান কর্মসূচির বাইরে না থাকে, সেজন্য প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কথাও বলেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়া ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা, টিকা মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার, রোগ নজরদারি সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ