Skip to main content

Chetona Ekush

, ,

‘সুমা’ এখন ‘রাফি’, মেয়ে থেকে ছেলে রূপান্তরের দাবি; এরপর আরেক তরুণীকে বিয়ে—ঠাকুরগাঁওয়ে চাঞ্চল্য ও নানা গুঞ্জন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঠাকুরগাঁও:

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বাতেনের মোড় গুচ্ছগ্রাম এলাকায় সম্প্রতি এক ব্যতিক্রমী ও চাঞ্চল্যকর ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। নিজেকে নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত করার দাবি এবং পরবর্তীতে এক তরুণীকে বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় জনমনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে বাতেনের মোড় গুচ্ছগ্রাম ও এর আশপাশের এলাকায় এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই ব্যক্তির পূর্বের নাম ছিল সুমা আক্তার, যিনি সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের দুলু ইসলামের সন্তান। তবে বর্তমানে তিনি নিজের নাম ও পরিচয় পরিবর্তন করে ‘সুমি ইসলাম রাফি’ নামে চলাফেরা করছেন এবং নিজেকে পুরুষ বলে দাবি করছেন। সম্প্রতি এলাকার একটি মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসলে বিষয়টি টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, বেশ কিছুদিন ধরেই তার বাহ্যিক রূপ, পোশাক-পরিচ্ছদ, চালচলন ও আচার-আচরণে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। এরপর হঠাৎ করেই নিজেকে পুরুষ হিসেবে পরিচয় দেওয়া এবং তরুণীকে বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র কৌতূহলের জন্ম দেয়। শুক্রবার বিকেলের দিকে বিষয়টি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে বাতেনের মোড় এলাকায় উৎসুক মানুষের ভিড়ও লক্ষ্য করা যায়।

এদিকে, এই বিরল ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সাধারণ মানুষের একটি অংশ বিষয়টিকে নিছক কৌতূহল হিসেবে নিলেও, অন্য একটি পক্ষ এটিকে হরমোনজনিত বা চিকিৎসাগত প্রাকৃতিক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। অনেকে প্রকৃত ঘটনা ও সত্যতা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকের পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ওপর জোর দিচ্ছেন।

ঘটনাটি চাঞ্চল্যের জন্ম দিলেও স্থানীয় সচেতন মহল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত মর্যাদা, গোপনীয়তা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রেখে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা উচিত, যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা সামাজিক ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি না হয়।

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ