
রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলার মধ্যে একটিতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। বুধবার বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।
একই সঙ্গে, বাকি ছয়টি মামলায় তাঁকে কেন জামিন দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি রুল জারি করেছেন আদালত।
আদালতে দীপু মনির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রমজান আলী শিকদার। তিনি সাংবাদিকদের জানান, মোহাম্মদপুর থানার যে মামলাটিতে আদালত জামিন দিয়েছেন, তার এজাহারে দীপু মনির নাম নেই এবং তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগও আনা হয়নি। এই যুক্তিতে হাইকোর্ট রুল জারিসহ তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫ বছরের শাসনামলে দীপু মনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে সরকারের পতনের পর, ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে।
দুই মামলায় জামিন চেয়েছেন ব্যারিস্টার সুমন
এদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন সহিংসতার ঘটনায় হবিগঞ্জে দায়ের করা পৃথক দুটি মামলায় হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সম্প্রতি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে এই আবেদন দুটি দাখিল করা হয়েছে।
এর আগে, গত ১১ মে রাজধানীর মিরপুর থানার একটি মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল রেখেছিলেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে ওই মামলার রুল দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য হাইকোর্টকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এবার হবিগঞ্জের মামলা দুটিতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করছেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ।
প্রতিবেদন : নাসরিন বেগম


