
নিজস্ব প্রতিনিধি, চেতনা একুশ
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক পদে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে চাকরিতে যোগ দিতে এসে ধরা পড়েছেন চারজন ভুয়া প্রার্থী। মৌখিক পরীক্ষার সময় অন্য ব্যক্তি বা ‘প্রক্সি’ পরীক্ষার্থী দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ালেও শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। চূড়ান্ত নিয়োগ পাওয়ার পর যোগদান করতে এলে প্রবেশপত্রের ছবির সাথে চেহারার মিল না থাকায় এই চারজনকে আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন— টাঙ্গাইলের গোপালপুরের মো. আ. আলিম, সিরাজগঞ্জের চৌহালীর মো. আলী হায়দার, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর মো. রাসেল রানা লিটন এবং গাজীপুরের শ্রীপুরের মো. মাসুদ ফকির। এই জালিয়াতির ঘটনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত মে মাসে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর লিখিত ও ভাইভা শেষে গত ৬ জুলাই ২০ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত এই প্রার্থীদের ১৯ জুলাই সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদানপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল।
আজ নির্ধারিত সময়ে তারা যোগদান করতে এলে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা ভাইভার সময় তুলে রাখা ছবির সাথে এই চারজনের বর্তমান চেহারার স্পষ্ট গরমিল খুঁজে পান। পরবর্তীতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে চারজনই স্বীকার করেন যে, তারা নিজেরা ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত হননি; বরং অন্য ব্যক্তিদের দিয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দেওয়ানো হয়েছিল। জালিয়াতির সত্যতা মেলায় তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।


