
ডিজিটাল ডেস্ক, চেতনা একুশ
সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রবেশের আগে ভ্রাম্যমাণ খাদ্য পরীক্ষাগার পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিচে রাখা পরীক্ষাগারটির ভেতরে প্রবেশ করে খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া সরেজমিনে দেখেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানিয়েছেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানেন। এ সময় কর্মকর্তারা তাঁকে জানান, দেশের ৬৪টি জেলায় ভেজালবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের আওতায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও জানান, বর্তমানে দেশের আটটি মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম দেশের ৬৪টি জেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানেও পৃথকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
এদিকে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৭২টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার ভ্যান সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এসব পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্যের মান যাচাই এবং ভেজালবিরোধী তদারকি কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুধু খাদ্য পরীক্ষা নয়, জনসচেতনতা বাড়ানোর কাজও করবে এসব ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার। এ লক্ষ্যে প্রতিটি ভ্যানের বাইরের দিকে স্থাপিত মনিটরে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক ভিডিও প্রচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার পরিদর্শনের সময় খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


